১৩ জুন, ২০২১, রবিবার

ধারাবাহিক স্মৃতিচারী গদ্য
হারিয়ে যাওয়া গানের খাতা
যশোধরা রায়চৌধুরী

যশোধরা রায়চৌধুরী

২৪ পর্ব
হারিয়ে যাওয়া ফেরিওয়ালারা

এ মায়া প্রপঞ্চময়

ভব রঙ্গমঞ্চ মাঝে, রঙ্গে  নটবর হরি

যারে যা সাজান সেই তা সাজে

এ মায়া প্রপঞ্চময়

মাতৃসাজে সেজেছিস মা

করিতে স্নেহের অভিনয়,

কর্মক্ষেত্রে কর্মসূত্রে আমি তোর সেজেছি তনয়

এই নাটকের এই অঙ্কে

স্থান পেয়েছি মা তোর অঙ্কে

আসব হয়তো পর অঙ্কে, পর অঙ্কে পুত্র সেজে

এ মায়া প্রপঞ্চময়

কর্মক্ষেত্রে জীবমাত্রে মায়াসূত্রে সবাই গাথাঁ

কেহ পুত্র, কেহ মিত্র, কেহ ভার্যা, কেহ ভ্রাতা

কেউ সেজে এসেছেন পিতা

কেহ স্নেহময়ী মাতা

কত রঙের অভিনেতা

আছেন কত সাজে সেজে

এ মায়া প্রপঞ্চময়

যার যখন হতেছে সাঙ্গ

এ রঙ্গভূমির অভিনয়

কাকস্য পরিবেদনা

তখন সে আর কারো নয়

কোথা রয় প্রেয়সীর প্রণয়

পুত্র কন্যার কাতর বিনয়

শুনেনা সে কারো অনুনয়

চলে যায় সাজশয্যা ছেড়ে

এ মায়া প্রপঞ্চময়

না হইলে কর্মশেষ

কত যাব মা কত আসব

সঙ সেজে সংসার মাঝে

কত হাসব কত কাঁদব

ভূষণ বলে যবে আসব

মায়ামোহ তবে নাশব

মহাযোগে তবে বসব

মিশব হরির পদরজে

এ মায়া প্রপঞ্চময়

( ছায়াছবি সাড়ে চুয়াত্তর এর জনপ্রিয় কালীসঙ্গীত)

কাঠি আইসক্রিম চুষতে চুষতে ভাবা ভাল এ মায়া প্রপঞ্চময়। এই আছে এই নেই। মুখে দিলেও গলবে, না দিলেও হাত দিয়ে গড়িয়ে রাস্তায় পড়ে যাবে।  সাড়ে চুয়াত্তরের কেদাররূপী ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের “মাসিমা মালপোয়া খামু” র অনবদ্য হ্যাংলামো আমাদের ভেতরে স্বতঃজাগরূক। ওটা সহজেই মাসিমা আইচকিরিম খামু হতে পারে… সারাজীবনে কতবার যে চেয়েছি সেটা।  

আগের পর্বে ভবানীপুর অঞ্চলের খাদ্য ভূগোলের কথা লিখতেই পাঠকেরা আরো অসং খ্য স্মৃতি উশকে , অজস্র আরো খাবার ঠেকের হদিশ দিয়ে দিলেন। বিজলি সিনেমার পাশের সেই দোসার দোকান মেঘদূতে ফর্সা ম্যানেজারের স্মৃতিচারণ করল কেউ, আর ক্রমাগত চমৎকার সব গান বাজত যে, সে স্মৃতিও চাঙ্গা হল। ভাবা যায়, চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের রবীন্দ্রসংগীত শুনতে শুনতে দোসা খাওয়া? 

সে ছিল একদিন আমাদের যৌবনে কলকাতা। কেউ আবার মনে করালেন কলেজ জীবনের ঠেক, লক্ষ্মীবাবুর আসলি সোনাচাঁদির একাধিক দোকানের পেছনের তিব্বতি মোমোর ঠেকগুলোর কথা। মোমো ও থুকপা খাওয়ার যে জোয়ার এসেছিল আশি দশক জুড়ে, তাকে কি ভোলা যায়? ফ্রাইড মোমো না স্টিমড মোমো, তা নিয়ে রীতিমত  তর্কবিতর্ক। বন্ধুদের দুটো ক্যাম্প ভাগ করা ছিল আমাদের, যার যেটা পছন্দ।  গরম জলবত্তরলং স্যুপটা ( কারুর মতে মোমো সেদ্ধর জল বই কিছু না, ওপরে কয়েক কুচি পেয়াঁজ পাতা ভাসমান হলেই শুদ্ধ) দিয়ে স্টিমড কারুর জমে ভাল আর কেউ কেউ ভাবে,  কোল্ড ড্রিংক্স দিয়ে ফ্রাইড মোমোটা সবচেয়ে খোলতাই হয়। সেযুগের অন্য চাইনিজ রেস্তোরাঁর তুলনায় অসম্ভব সস্তায় পাওয়া যেত এই মোমোগুলো আর ফলত কলেজ জীবনে আমাদের পকেটসই ছিল ত বটেই। 

কিন্তু সেসব ত অনেক পরে, বড় হয়ে। ছোটবেলার কিছু কিছু স্বাদ আমরা হারায়ে খুঁজি। স্বাদের সঙ্গে লেগে থাকে কিছু শব্দ। আওয়াজ। 

আমাদের ছোটবেলায় পাড়ায় পাড়ায় কুলফি বরফ ফেরি হত। এ বিষয়ে আমার যে স্মৃতি তা উত্তর কলকাতার। প্যারামাউন্ট সিনেমার পাশে, পরে যেটা জগত সিনেমা হল… দিদুর বাড়ির লোহার দরজা আঁটা ব্যারাক বাড়ি দিয়ে ঘেরাও করা আরও কয়েকটা নড়বড়ে পুরনো বাড়ি সমেত যে পাড়া… সেই খানে আসত সে। অসম্ভব বিষণ্ণ আর করুণ একটা ডাক দিত সে “মালাইইইইই বরফ – কুলফিইইইই” বলে…। বুকের মধ্যেটা মুহূর্তে ফাঁকা হয়ে যেত। রাস্তার আলো তখনো একটা লোক কালো দন্ড দিয়ে আঁকশি টেনে টেনে জ্বেলে যেত। সেই   টিমটিমে হয়ে আসা ঝুলপড়া কাচের ডুমের বাতির সঙ্গে ঘন যোগ ছিল সন্ধের মুখের বিষণ্ণতার। তার সঙ্গে কলকাতার ঝুলকালির খুব মিলমিশ। আর এই বিষাদেই চোবানো, কান্নায় মেশানো সেই মালাইবরফের  হাঁকটা আমি কোনদিন ভুলব না। আমার নিজস্ব সান্ধ্য মনখারাপের সঙ্গে একেবারে খাপে খাপ সেই হাঁক। মনে হত আসলে কেউ কেনে না, খায়না ওর মালাইবরফ। একবার মাত্র দিদু ডেকে ওই কুলফি বরফ খাইয়েছিলেন আমাদের। সে খুব মামুলি স্বাদের। পরে ত ধর্মতলার ইন্দ্রমহলে কত খেয়েছি গোলাপি সিরাপ আর নুডলস এর মত ফালুদা নামের বস্তুটি  দেওয়া ভাল কুলফি। কিন্তু ওই ফেরিওয়ালার ডাকটার মত কোন ডাক আমি জীবনে শুনিনি।

আজীবন ফেরিওয়ালাদের আমার খুব দুঃখী মনে হত। হয়ত আদৌ দুঃখী ছিল না তারা, অবরে সবরে বসে খইনি টিপত বা বিড়ি খেত যখন, মুখে হাসিও ফুটে উঠত নিশ্চয় তাদেরও। যেমন ছোটবেলা থেকে যখন ভেবেছি ইচ্ছে করলেই আইসক্রিম খেতে পাওয়ার মত সৌভাগ্য করে এসেছে ওই আইসক্রিমওয়ালা লোকটা, তখন মা ঠিক বেলুনে পিন ফোটানোর মত করে বলে দিয়েছিলেন, সে ভাবনাটা ভুল…ইচ্ছে করলেই নিজের ফিরি করা সামগ্রীর ভাগ পায় না ওরা, আসলে ওরা খুব গরিব। বুকটা কষ্টে চুপসে গিয়েছিল তখন। 

গ্রীষ্মের ছুটির সময়ে খেয়েদেয়ে সবাই যখন দোর দিয়ে ঘুমুচ্ছে ভাতঘুম,  ভবানীপুরের  রাস্তা দিয়ে  খররৌদ্রে বিকেল চারটেতে ঠিক আসত আইসক্রিমওয়ালারা। প্রতিটি ডাকে দৌড়ে একবার করে বারান্দায় যাওয়া, আর দেখা, কোয়ালিটির বানান কে দিয়ে কিনা। সঠিক কোয়ালিটি বানান, মানে কিউ দিয়ে লেখা,  মানেই ভুল আইস ক্রিম। ছোটবেলায় এই ধাঁধাটা আমরা সবাই বুঝে গিয়েছিলাম। সারাবছরে হয়ত তিন থেকে চারবার মাত্র আইসক্রিম খাবার মওকা আসত। একটা আইসক্রিম পাওয়া যেত ইস্কুলের জন্মদিনে, ১১ এপ্রিলে। ইস্কুলে আইস ক্রিমের হাতেঠেলাগাড়ি নিয়ে আসত কোয়ালিটির ইউনিফর্ম পরা আইসক্রিমওয়ালা।  প্রত্যেক ছাত্রী পেত একটি করে কাপ আইসক্রিম, ভ্যানিলা ফ্লেভারে। সঙ্গের চামচটি সাদা , পাতলা প্যাকিং কাঠের। সেই মুফতে আইসক্রিম প্রাপ্তি , যেন স্বর্গীয়। আর কাপের ওপরের ঢাকাটি তুলে চেটে নেবার সুখ, সে ত স্বর্গের সঙ্গে ছোট্ট ফাউ। প্রথমে ঢাকাটি চেটে ফেলে, তারপর ওই সাদা কাঠের চামচের ডগা দিয়ে খুউউউব আস্তে আস্তে কায়দা করে করে আইসক্রিম তুলে নিয়ে বহুক্ষণ ধরে খাওয়া একটা আর্ট। সেটা বেশি করার ফলে অবশ্য এক বিকেলে আমাদের বাড়ির ছাতে আমার মামাত দাদাকে মামা এক ধমক দিয়েছিলেন, তাড়াতাড়ি খা নইলে চড়াইপাখিতে হেগে দেবে!

১৯৭২ সালে ছোট মামার বিয়েতে সাত দশ দিন ধরে মামাবাড়ির হুল্লোড় মনে পড়ে। নববধূকে নিয়ে নানা খেলা হয়েছিল,যেমনটা হওয়ার প্রথা আছে। কাদার মধ্যে আঙটি হারানো আর খুঁজে পাওয়ার খেলাটা মনে আছে। যাইহোক,   তার একটিতে মামি জিতলে , মামুকে তখন মামির ইচ্ছেমত পুরস্কার দিতে হবে। কী চাইবেন মামি? নতুন মামি, পুতুলের মত সাজুগুজু করা বউ মামিকে আমরা সবাই মিলে আইসক্রিমের বায়না করলাম। মামাকে কিনে আনতে হল আইসক্রিম, সব্বার জন্য।  প্রথমবার টু ইন ওয়ান সাদা গোলাপি রঙের রংমিলান্তি আইসক্রিম খাওয়ার সেই স্মৃতি ভোলার না। তায় আবার বার আইসক্রিম। অনেক গুলো থানইঁটের মত টু ইন ওয়ান আইসক্রিমের বার এল, কেটে কেটে সবাইকে দেওয়া হল। সেই ভ্যানিলা স্ট্রবেরির মাখোমাখো কম্বো প্রথম জানার আনন্দ, কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের চেয়ে কম ছিল না কিছু। 

তা বাদে বেড়াতে গিয়ে খাওয়া আইসক্রিম, অথবা গোটা গ্রীষ্মের ছুটিতে একবারমাত্র ওই  বিকেল চারটেতে হেঁকে যাওয়া আইসক্রিম -এর গাড়িতে লেখা বানান দেখে, সঠিক কে ডবলিউ এ এল আই টি ওয়াই -লেখা গাড়িটির চালক কে ডেকে কেনা ফাজ বা অরেঞ্জ স্টিক আইসক্রিম খাওয়া। এই ছিল আমাদের আইসক্রিমের দৌড়। মনে পড়ে একবার কোয়ালিটি বের করেছিল প্লাস্টিকের বলের ভেতর ভরা আইসক্রিম। খাওয়ার পর ধুয়ে বলটি নিয়ে লোফালুফি খেলা যায় । কোয়ালিটি ছাড়াও, ম্যাগনোলিয়া কোম্পানির নীল জামা পরা লোক আসত তাদের গাড়িটি নিয়ে।  অরেঞ্জ স্টিক এদের ও খেয়েছি। হিমালয়া বলে আরেকটি ছিল, তাদের মিল্ক স্ট্রবেরি আইসক্রিম ছিল বেশ জনপ্রিয়। বাকি সবাইকে “নর্দমার জল দিয়ে বানায়, খেলেই কলেরা হবে ” বলে মা যতই হ্যাকথুঃ করুন, কয়েকটি কোম্পানি যথেষ্টই ভাল ছিল।  এসব আইসক্রিমের দোকান বা কোম্পানি কবে কোথায় হারিয়ে গেল কেউ জানেনা। যেমন ব্রিটানিয়ার অরেঞ্জ ডিলাইট বিস্কুট হারিয়ে গেছে তার ভেতরের কমলালেবু গন্ধী ক্রিম সহ। হারিয়ে গেছে জোকার এর মুখ থেকে একটা একটা করে বেরুনো মৌরী লজেন্সের স্বাদ। 

পাড়ার মণিহারি দোকানে পাওয়া যেত যেসব লজেন্স, তার মধ্যে আমার ফেভারিট পুরো গোলকাকৃতির কমলালেবু ফ্লেভারের পার্লে কোম্পানির লজেনস। তার কোন তুলনা আর পাইনি। কিছুদিনের জন্য হঠাৎ উদয় হয়েছিলেন এনার্জি ট্যাবস। নানা ফেল্ভারের। মুখে দিয়ে চুষতে হয়। অবশ্যই স্বাদে হিট হত অরেঞ্জটাই, সবজে কাঁচা আম ফ্লেভার ক্লোজ সেকেন্ড। সাতরঙা, নানা ফ্লেভার দেওয়া রিং আকৃতির পপিনসও সাতের দশকেই সদ্য সদ্য বেরিয়েছে। ১৯৭৫ সালে প্রথম পুজোতে বার্ষিকী আনন্দমেলা বেরুতে শুরু করে যখন, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর অসামান্য সম্পাদনায়, সেই শারদ সংখ্যা আনন্দমেলায় পাতাজোড়া কমিক্স থাকত পপিন্স খেয়ে কীরকম বুদ্ধি করে সমস্যার সমাধান করল এক  ছোট্ট ছেলে..। কিশোর ভারতী বা শুকতারাতেও থাকত নিশ্চয়। আনন্দমেলা এর পর মাসে মাসে বা পক্ষে পক্ষেও বেরুবে। আমরা হুমড়ি খেয়ে কমিক্স পড়ব।  কমিক্সের দিনকাল ত তখন। পাতাজোড়া নন্টেফন্টে বা বাঁটুল দি গ্রেটের জন্য মুখিয়ে থাকি। তারপর এল আনন্দমেলায় টিনটিন। 

এখন বুঝি, কী দুরন্ত ভাবনা ছিল ওই  পপিন্স এর বিজ্ঞাপনদাতাদের। কার মাথাতে ওরকম একটা চমৎকার সিরিজ তৈরির বুদ্ধি খেলে গিয়েছিল কে জানে। সৃজনী প্রতিভার কী দারুণ সব উদাহরণ তখন বিজ্ঞাপন জগতে। ইউ বি আই এর বিজ্ঞাপন করা হয়েছিল সহজ পাঠের আদলে। ই-ঈ।  ইউ বি আইতে ব্যাংক বোঝায়, ঈশানবাবু টাকা জমায়। এখনো ভুলিনি। শুনতে পাই সুভাষ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ সৃষ্টিশীলদের হাতের স্পর্শ ছিল সে সময়ের অসংখ্য বিজ্ঞাপনে। আশি নব্বইতেও পুজোর আগে সারা কলকাতার ম্যাপ তৈরি করেছিল ক্ল্যারিওন…কোথায় কী খাবেন হদিশসহ… 

পাড়ায় পাড়ায় মাথায় কালো রঙের টিনের সুটকেস বা তোরঙ্গ নিয়ে নারকেল নাড়ু খিরের তক্তি, চন্দ্রপুলি, খিরের নাড়ু , জয়নগরের মোয়া এইসব বিক্রি করতে আসতেন এক বা একাধিক মিষ্টিওয়ালা। নিয়মিতই মিষ্টি রাখা হত তাঁর থেকে। কী সুমিষ্ট ব্যবহার ছিল তাঁর। মায়ের ফেভারিট ছিলেন এই মিষ্টিওয়ালা, বহু বছর ধরে। কবে থেকে এঁদের আসা বন্ধ হল তাই ভাবি। দক্ষিণ কলকাতায় লাল কাপড়ে ঢাকা হাঁড়িতে মালাই বরফ আসত। তবে আমার খাওয়া হয়নি। রাস্তায় বাচ্চারা ভিড় করত একরকম চিনির তৈরি সাদা গোলাপি রঙের মিষ্টি খেতে, যেটা ফিতের মত টেনে টেনে লম্বাটে আকৃতির করে তাই দিয়ে ঘড়ি, পুতুল এইসব নানা আকারে বানিয়ে দিত লোকটি। কাঁধে লম্বা একটা লাঠির মধ্যে লাগানো থাকত একটা সাদা গোলাপি চটচটে মিষ্টির তাল। বুড়ির চুল ওই সময়ে খুব টানত, পরে মেলা টেলাতেও স্টলে তোইরি দেখতাম, কিন্তু এত কিটকিটে মিষ্টি যে বিশেষ খেতে চাইতাম না। মেলাতে খুব চালু হয়েছিল পপ কর্ন তৈরির স্টল ও, আশি দশকেই। ধাতব হাঁড়িটিতে নুন আর ভুট্টা দানা ফেলে যন্ত্র চালু করতেই ঢাকনি সরে গিয়ে ভুরভুরিয়ে পপকর্ন পড়ত। দেখতে দেখতে গরম গরম ভুট্টা ভাজা খাও।  তখনো আইনক্স-এর সম্মুখস্থ গলাকেটেদামনেওয়া পপকর্নদের মার্কিনি সংস্করণ বহুদূর। 

পাড়ায় সাজিমাটি, ফুলের টব বেচত ঠেলাগাড়ি নিয়ে লোক, সে ডাকও মন কেমন করানো ছিল। কলকাতার শব্দব্রহ্ম বা সোজা বাংলায় সাউন্ডস্কেপ থেকে বেরিয়ে গেছে কত কত ফেরিওয়ালার হাঁকা। এখন আছে প্রি রেকর্ডেড আওয়াজের প্রচার।  সব জিনিস  ত্রিশ টাকা , মা দিদি বৌদিরা প্রচারগাড়ির কাছে আসুন। 

তবে বিকেল চারটের আইসক্রিমওয়ালারা আজো আসে। ক্রিমবেল, কোয়ালিটি ওয়ালস। আমরা আর বারান্দায় দৌড়ে যাইনা।

১ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন 
২ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন  
৩ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
৪ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
৫ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
৬ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
৭ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
৮ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
৯ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১০ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১১ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১২ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১৩ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১৪ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১৫ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১৬ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন
১৭ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

১৮ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

১৯ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

২০ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

২১ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

২২ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

২৩ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

সাম্প্রতিক পোষ্ট
বর্ষা , উমামাসি আর প্রেমের গপ্পো- হারিয়ে যাওয়া গানের খাতা- যশোধরা রায়চৌধুরী

জল ঠেলতে ঠেলতে দিন কেটে যায় তবু… রোমান্স মরে গেলেও, ওই কাদা জল
ঘেঁটেই চলি তারপর। বাজারে দোকানে যাওয়া… ফিরে আসা হাঁটুজলে। এসে পায়ে
দেখি কার চিঠি লেপটে আছে।

Read More »