তাপস রায়

আমাদের ঝোলার ভেতর থেকে স্বপ্ন উপচে ওঠেমুখ বের করে

ভিক্ষাবৃত্তিকে অনায়াসে শুধুমাত্র আমাদের ইচ্ছায় মান্যতা দিই, বলি মাধুকরি

যে কোনো শিবিরে তুমি চলে যেতে পার, যাও

প্রতিবারই ক্লাচ ও ব্রেকে তীব্র শব্দ ওঠে, পথচারি কিছুটা চমকে থাকে

সেইসব জনপ্রিয় সিরিয়াল মনে কর, নাবিকেরা নেমে এসে

হাত-পা ঘোরায়, খুব চেষ্টা করে তারা, কোথায় জলদস্যু দেখেছে

তিমির বৃহৎ বপু কত ছন্দে জলের উপরে উঠে নৃত্য রাখে —

আমরা গড়াতে থাকি, নদী-নালা, পাহাড় ডিঙিয়ে ওই যাওয়া

আমাদের মগজে মগজে ঘোরাঘুরি করে

দেবদেবীদের দিকে কত কি গোপন ঈপ্সা ছুঁড়ে মজা দেখি, দেখি

ফিরে আসে কি না ক্ষিধে-তৃষ্ণা, গায়ে-পড়া কলহেরা

বাহুর কবচ জুড়ে ক্ষাত্রতেজ তরঙ্গিত কি না

আমাদের পাগল কৃষ্ণের অভিমুখ নিশ্চিত করে

ওই যত রাধা-স্নান দৃশ্য রচনারত

সেভাবেই ভয়ের উপরে রেখে এইসব নির্বাচিত জন্মবেলা

ঘাসের যত্ন নেয়, রুমালে জড়াবে না বলে, সেইসব দুঃখের নাম রাখে শিশিরের কণা

বন্ধু-পাড়ায় এসে বসি, তাল-পাতার পাখাটিও দাঁড়িয়ে রয়েছে কতকাল

বেঁচে থাকার ভেতর যতটা আশ্চর্য রয়েছে ঠিক ততখানি

অন্য কোথাও না পেতেও পার — পথে যেতে যেতে

নদীকে ডেকেছ — সে কি চলকে ওঠেনি ভাব

সারাদিন প্রাণপণে চেষ্টা করেছে সন্ধ্যা তারাটি তোমার গৃহের পাশে

ফুটে উঠে  খুসি করে দেবে, রাত তত নষ্ট লাগবে না

যেসব অক্ষরের হাত ধরো, বাজার ফেরত রিকশা থামাও

যদি প্রতিহিংসা নেয়, যদি তোমার অনাদর সাজিয়ে গুছিয়ে

তোমাকে জানায় —- ভাব গ্রীষ্ম কীভাবে লেহন করে

খড়কুটো করে দেবে বন, এ আশ্চর্য জীবন ঠিকানা বিহীন আর

ওই নুড়িটির পাথর চ্যুতির কলরব অন্ধ করে দেবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *